হঠাৎ বৃষ্টিতে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
আজ বুধবার সন্ধ্যার পর শুরু হওয়া বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের গতি ধীর হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে টঙ্গী, বোর্ডবাজার, চান্দনা চৌরাস্তা ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। এ সময় হাজারো যাত্রীকে বৃষ্টির মধ্যেই হুড়োহুড়ি করে বাসে ওঠার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, বৃষ্টি কারণে ৫০০ টাকার ভাড়া ১ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে।
চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বাসের অপেক্ষায় থাকা জামালপুরগামী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দুই ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি, কোনো বাস পাচ্ছি না। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেছে। ভিজে গেছি, কিন্তু যাওয়ার উপায় নেই।’
টাঙ্গাইলগামী আব্দুল করিম জানান, ‘স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লাগে, এখন সেখানে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা লাগবে মনে হচ্ছে। তার ওপর রাস্তা পিচ্ছিল, গাড়ি খুব ধীরে চলছে।’
এদিকে কোনাবাড়ী, সফিপুর ও চন্দ্রা এলাকায় অনেক যাত্রীকে বৃষ্টির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে পরিবহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রাক ও পিকআপের মতো ছাদহীন যানবাহনের যাত্রীরা।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, যাত্রীর তুলনায় পরিবহন সংকট থাকায় মহাসড়কে চাপ বেড়েছে। তার ওপর বৃষ্টির কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলছে।