বন্দি পানি, রুদ্ধ বন ও ‘আধুনিক বর্ণবৈষম্য’

Date:

তিনটা অতি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবস পর পর—২১ মার্চ বিশ্ব বন দিবস ও আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস এবং ২২ মার্চ পানি দিবস। তিনটি বিষয়ই ঐতিহাসিকভাবে লেপ্টালেপ্টি হয়ে আছে। কিন্তু আমাদের অধিপতি নাগরিক ও বিদ্যায়তনিক বয়ানে বরাবরই তিনটি বিষয় খণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন।

কেন বান্দরবানের সরই পাহাড়ের ঝিরি বা মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ড ঝর্ণায় পানি নেই? লামা রাবার কোম্পানি সরই পাহাড় দখল করে বন-জংলা কেটে ঝিরিতে বিষ দিয়েছে। তারা বাণিজ্যিক রাবার বাগান করতে চায়।

ইকোপার্কের নামে মাধবকুণ্ড ঘেরাও দিয়ে বনের সঙ্গে সঙ্গতিহীন কৃত্রিম অবকাঠামো বানিয়ে দেশের এই প্রাচীন ঝর্ণা লাইফ কোম্পানিকে ইজারা দেয় বনবিভাগ। এলোপাথারি পর্যটন প্লাস্টিক বর্জ্যের ভাগাড় বানিয়েছে ছড়াগুলোকে।

জঙ্গল ছাড়া জলের জন্ম হয় না। জল ধরে রাখার পাথরগুলোও বাইরে থেকে আসা ক্ষমতাবানরা লুট করে নিয়েছে। তাই মরেছে পাহাড়ের ঝিরিগুলো।

কিন্তু জল ও জঙ্গলের মরণদশার সঙ্গে বর্ণবৈষম্যর কী সম্পর্ক? এই সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও উপনিবেশিক। মুনাফা ও বাণিজ্যের কারণেই জল ও জঙ্গল লাগাতার লুণ্ঠন, দখল ও দূষিত হয়েছে।

কর্তৃত্ববাদী বাইনারি এবং নয়াউদারবাদী ক্ষমতা কাঠামো এই প্রবণতাকে বৈধতা দিয়েছে। এমনকি বিভাজনের জুলুমকেও জায়েজ করেছে। কেন প্রান্তিক গরিব কৃষক, বনজীবী, আদিবাসী, জেলে, গ্রামীণ নিম্নবর্গের ওপর এই লুটতরাজ ও দখলবাজি চলে আসছে? কেন জন্মমাটি, প্রাচীন জলের ধারা, পবিত্র জঙ্গল ছেড়ে গ্রামীণ নিম্নবর্গকে উচ্ছেদ হতে হয়? এর মাঝেই প্রবল হয়ে আছে ঐতিহাসিক বর্ণবাদ ও বিভাজনের রাজনীতি।

ব্রিটিশ শাসক রবার্ট লিন্ডসে সিলেটের চুনাপাথর দখল করতে চেয়েছিলেন। খাসিরা লড়াই করে পাহাড়টি বাঁচিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশে নেত্রকোণার দুর্গাপুরের পাহাড়ি টিলা হাজংরা বাঁচাতে পারেনি। সাদামাটি-চীনামাটি বাণিজ্যের নামে পুরো এলাকা খুবলে খুবলে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে।

যে পাহাড়ে এক দানা পানি নেই, সেই চিম্বুক পাহাড়ে কেন ম্যারিয়ট হোটেল বানাতে গিয়েছিল? জঙ্গল বাঁচাতে বীরসা মুন্ডা, পীরেন স্নাল, অবিনাশ মুড়া, সালিক, গণিরা কেন জীবন দেন? জঙ্গল কারো কাছে জীবন-সংস্কৃতি, কারো কাছে মুনাফার ময়দান।

কেবল জঙ্গল নয়, পানির অধিকার আদায়েও জীবন দিয়েছে লড়াকু নিম্নবর্গ। কোনো বোতলজাত পানি কোম্পানির মালিক নয়। পানির ওপর সবার ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভাসান পানির আন্দোলন গড়ে ওঠে হাওরে। জেল-জুলুম খাটেন বরুণ রায়। বাণিজ্যিক চিংড়ি-ঘেরের লবণাক্ততা থেকে জলা ও জমি বাঁচাতে জীবন দেন দক্ষিণাঞ্চলের করুণাময়ী সর্দার ও জায়েদা।

পানিপ্রবাহ মুক্ত না হলে বন যেমন বিকশিত হতে পারে না, ঠিক তেমনি বন ক্ষতবিক্ষত হলে পানির প্রবাহ হারিয়ে যায়। কিন্তু পানির সংকট ও সমাধান কিংবা বন-জঙ্গল সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচলিত প্রবল আলাপে এসব আন্তঃসম্পর্ক ও বহুমাত্রিকতাকে বরাবরই তলিয়ে রাখা হয়।

আবার ‘বর্ণবৈষম্য বিলোপ’ নিয়েও কিছু গড়পড়তা স্টেরিওটাইপ আলাপ হয়। যেখানে ক্ষমতা, প্রান্তিকতা, বাণিজ্য, প্রাণ-প্রকৃতির সম্পর্ক ও হেজিমনির বহুমুখী প্রবণতাগুলো প্রবলভাবে অনুপস্থিত থাকে। এখনো বাংলাদেশের ‘বর্ণবৈষম্য বিলোপের’ আলাপ দৃশ্যমান ‘জাত-পাত-অস্পৃশ্যতার’ মুখস্থ বয়ানে বন্দী।

কেন কয়লাখনি বা গ্যাস জরিপের জন্য আদিবাসী আর কৃষকদের গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়, কিংবা আদিবাসীরাই কেন বরাবর সস্তা প্রদর্শনযোগ্য বিনোদন বস্তুতে পরিণত হন—এসব এখনো আমাদের ‘বর্ণবৈষম্য ডিসকোর্সের’ আলাপ হয়ে ওঠেনি।

কেন উপকূল, বরেন্দ্র, পাহাড় বা শহরের বস্তিতে গরিব নারীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক কলস পানির জন্য অপেক্ষা করতে হয়, কিংবা কেন কৃষিকাজ করে ফসলের দাম না পেয়ে আত্মহত্যা করে গরিব কৃষক? সারাজীবন একদলা জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার না করেও কেন ঘূর্ণিঝড়, পাহাড়ি ঢল বা খরায় চুরমার হয়ে যায় বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীর জীবন?

কেন পৃথিবীর ধনীরা ৬০ লাখ টাকা দিয়ে এক বোতল কণানিঘারি পানি খায়, আর লবণ-পানির কারণে ঘা হয়ে জরায়ু কাটতে বাধ্য হয় বাংলাদেশের গরিব জেলে নারী? প্রতিদিন না খেয়ে কেন দুনিয়ায় লাখো শিশু নিদারুণভাবে ঘুমাতে যায়, অন্যদিকে খাবার বিনষ্টকারী দেশের তালিকা তৈরি করে জাতিসংঘ।

গরিব, ক্ষমতাহীন, কৃষক, জেলে, আদিবাসী, কবিরাজ, বনজীবী, ভূমিহীন জনতার সঙ্গেই কেবল নির্দয় বৈষম্য ও বিভাজন প্রশ্নহীনভাবে জারি আছে। উপনিবেশিকতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা আধুনিক বর্ণবৈষম্যর সব বহুরূপী বাহাদুরিকে মূলধারার আলাপে টানতে হবে।

পানি সংকট ও বনভূমি নিশ্চিহ্নকরণের সঙ্গে বর্ণবাদী মনস্তত্ত্ব ও  কাঠামোগত বৈষম্য প্রবলভাবে সম্পর্কিত। বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গির আমূল বদল না ঘটলে কোনোভাবেই সবার জন্য পানির অধিকার নিশ্চিত হবে না, নিজের ব্যাকরণে বিকশিত হতে পারবে না কোনো বন-জঙ্গল।

বন্দুক আর ব্যাটাগিরি দিয়ে জলা বা জঙ্গলের সুরক্ষা হয় না। পানি ও অরণ্যকে বুঝতে হয় এর বিরাজিত বাস্তুতন্ত্রের শক্তি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক লোকায়ত দর্শন, বিজ্ঞান ও আরাধনা থেকে।

চলতি আলাপখানি পানি, বন ও বর্ণবৈষম্য বিলোপের আলাপ ও তৎপরতাকে একটা অন্তর্ভুক্তিমূলক পাটাতন থেকে দেখার ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জোর দাবি তুলছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমরা অন্তর্ভুক্তি ও বহুত্ববাদের গ্রাফিতি এঁকেছিলাম। আশা করবো পানি ও বনের ন্যায়বিচার সুরক্ষায় সব বৈষম্যমূলক প্রবণতা ও বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে খারিজ করে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে দ্রুত তৎপর হবে সরকার।

পানি নাকি মৌলিক অধিকার?

পানি নিয়ে তর্ক আজকের নয়। হয়তো এ তর্ক দুনিয়ায় জারি থাকবে। পানির কথা উঠলেই নানা বুদবুদ তৈরি হয়। পানির উৎস থেকে শুরু করে পানি ব্যবহার, বিতরণ, ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞান, কারিগরি, সংরক্ষণ, দখল, দূষণ, বিপর্যয়, দুর্যোগ, বাণিজ্য, প্রবেশাধিকার, ক্ষমতা, রাজনীতি কিংবা পানিহীনতা—সব নানারেখায় গড়িয়ে পড়ে।

জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অনুমোদনের পর ১৯৯৩ সালের ২২ মার্চ প্রথম পালিত হয় বিশ্ব পানি দিবস। জাতিসংঘ ঘোষিত প্রতিটি দিবসের মতোই পানি দিবসে প্রতি বছর প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়। ৩০ বছর আগের ১৯৯৫ সালের প্রতিপাদ্যকে আবারো কেন্দ্রে রেখে ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘পানি ও জেন্ডার’।

নির্দয়ভাবে পানির বোঝা নারীর ওপর চাপানো হয়েছে। প্রতিদিন দেশের প্রতি ঘরে পান ও গৃহস্থালি কাজে যে পানি লাগে, তা যোগায় নারী। মাইলের পর মাইল হেঁটে, মারামারি করে, আছাড়-আঁচড় সয়ে, জীবনের মূল্যবান সময় হত্যা করে নারীকে পানি নিয়ে ঘরে ফিরতে হয়। আর পুরুষ কী করে, পাবলিক পানি বোতলে ভরে বিক্রির ব্যবসা সামলায়, কিংবা পানি দখল বা বণ্টন নিয়ে ক্ষমতার ইতরামি করে।

এই যে পানির কষ্টে ছাতিফাটা দেশে গ্যালনের পর গ্যালন পানি বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি বোতলে ভরে দেদার বিক্রি করে, এ নিয়ে রাস্তায় বা সংসদে কেউ প্রতিবাদ জানায়?

পানি মূলত ক্ষমতার প্রশ্ন। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে বিনামূল্যে নিরাপদ খাবার ও ব্যবহারের পানি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে অঙ্গীকার করা হলেও দেশের সর্বত্র পানি কিনেই খেতে হয়, বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। হাইকোর্ট পানিকে প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ঘোষণা করেছেন—সব শ্রেণি, বর্গ, জেন্ডার, জাতি, ধর্ম, পেশা, অঞ্চল ও ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী সবার।

এক বছরের ভেতর সব সর্বজনীন স্থানে বিনামূল্যে নিরাপদ পানি সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সরকার কী এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে পারবে?

বন অধিকার আইন জরুরি

২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২১ মার্চকে আন্তর্জাতিক বন দিবস ঘোষণা করা হয়। ২০২৬ সালের বন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বন ও অর্থনীতি’।

বাংলাদেশ বননির্ভর অর্থনীতি কিংবা জাতীয় অর্থনীতিতে বনের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়নি। বনকে সর্বদা দেখা হয়েছে ঘনফুট কাঠের মাপে। বন হলো এক কাঠের বিপণীবিতান আর পশুপাখি রাখার চিড়িয়াখানা। দেশের একটা বনও সুস্থ নেই, অক্ষত নেই।

রাষ্ট্র ও এজেন্সির অবিচার শরীরে নিয়ে কোনোমতে টিকে থাকার লড়াই করছে দেশের সব বনাঞ্চল। অথচ ভৌগলিকভাবে আমাদের বনের বৈচিত্র্য পৃথিবীর মধ্যে বেশ গুরুত্ববহ।

বন নিয়ে কথা বললেই সচরাচর বনবিভাগকে মুখস্থবিদ্যা অনুযায়ী শত্রুপক্ষ বানানো হয়। বন বনাম বনজীবী এবং বননির্ভর আদিবাসী—এটি একটি চাপিয়ে দেওয়া বাইনারি বিভাজন। ঠিক বাঙালি বনাম উপজাতি বাইনারির মতো।

আর এই বাইনারি বিভাজন বনজীবী ও বননির্ভর আদিবাসীদের সঙ্গে ক্রমশই রাষ্ট্রের মনোজাগতিক দূরত্ব তৈরি করেছে। আবার একইসঙ্গে বনবিভাগ এই বাইনারিকে কখনোই প্রশ্ন করে না বলে বনবিভাগ আদিবাসী ও বনজীবীদের কাছ থেকে লোকায়ত বনবিদ্যা ও সংরক্ষণের অবিস্মরণীয় জ্ঞানগুলো শিখতে বুঝতে পারেনি।

ঐতিহাসিকভাবেই বনবিভাগের মাধ্যমে যে উপনিবেশিকতা ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা এখনো বহাল তবিয়তে আছে। এই বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্তৃত্ব দিয়ে উদ্ভিদ-উদ্যান বা চিড়িয়াখানা পাহারা দেওয়া যায়, কিন্তু প্রাকৃতিক বনভূমির বিকাশ ও বিস্তার সম্ভব হয় না। কারণ বাস্তুতন্ত্র একটি প্রাকৃতিক ও সামাজিক শক্তির জটিল প্রণালীতে বিকশিত হয়ে চলে।

বনের নিজের অধিকার আছে নিজেকে নিজের মতো বিকাশ ও অভিযোজনের। বনের সত্তার আইনি স্বীকৃতি জরুরি। আবার একইসঙ্গে বনের ওপর নির্ভরশীল মানুষসহ সব প্রাণ-প্রজাতির অধিকারকেও আইনি স্বীকৃতির ভেতর আনা জরুরি। সরকার বন অধিকার আইন বাস্তবায়নে কাজ শুরু করতে পারে।

‘কলিজা জ্বলতাছে’

বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবসে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, ‘বর্ণবাদের প্রাচীন বিষ এখনো জনগোষ্ঠী, সমাজ, দেশ ও অঞ্চলে জীবন্ত আছে; ঐক্য ও তৎপরতাই এর প্রতিষেধক।’

আমাদের কাছে কী পর্যাপ্ত প্রতিষেধক আছে? এই প্রতিষেধক কী বাইরে থেকে চাপানো কোনো বাইনারি বাণিজ্য বা উপনিবেশিকতার রগড়, নাকি নিম্নবর্গের লোকায়ত ঐতিহাসিকতা? রাষ্ট্র কার প্রতি আস্থা ও আইনি ভিত্তি বহাল রাখবে—জনগণ নাকি বৈষম্যমূলক কর্তৃত্ববাদের?

সেচের পানি বঞ্চনার কারণে রাজশাহীর দুই সাঁওতাল কৃষক আত্মহত্যার পর সেই নিমঘটু গ্রামের আরও সাঁওতাল কৃষক বলেছিলেন, ‘পানি নাই মাটির কলিজা জ্বলতাছে।’ সাতক্ষীরার গাবুরাতে পানির অভাবে ধানের কলিজা জ্বলার গল্প শুনেছিলাম আরেক বাঙালি কৃষকের কাছে।

জঙ্গলের কলিজা জ্বলুনির বহু ক্ষোভ চিৎকার প্রতিদিন শুনতে হয়। ঢাকার বেরীবাঁধ বস্তিতে পানির অভাবে কলিজা ফাটার কাহিনী শুনেছি বহুজনের কাছে। দেশব্যাপি ‘কলিজা জ্বলতাছে’। পানি, মাটি, পাখি, মাছ, মানুষ, বসতি, গ্রাম, জলা, জঙ্গল—সবার ‘কলিজা জ্বলতাছে’।

রাষ্ট্রের কোনো একটি পক্ষ, কোনো একক মন্ত্রণালয় বা দপ্তর বা বিভাগ এই সংকট সামাল বা সুরক্ষা দিতে পারবে না। দরকার আন্তঃমন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যকর সমন্বয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক তৎপরতা। বর্ণবাদী বৈষম্যমূলক মনস্তত্ত্ব চুরমার করে রাষ্ট্রকে সব কলিজার সপক্ষে দাঁড়াতে হবে।

 

পাভেল পার্থ: গবেষক ও লেখক
[email protected]

Popular

More like this
Related

জরুরি ভিত্তিতে আরও ২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জাতীয় মজুত সুরক্ষায় আরও ২...

জ্বালানি সংকটে হিমশিম খাচ্ছেন ভাড়ার মোটরসাইকেল চালকরা

খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে জেলা শহর থেকে উপজেলা, ইউনিয়ন কিংবা...

সিঙ্গাপুরের কাছে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ

এশিয়ান কাপে খেলার স্বপ্ন আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, অন্যদিকে...

জ্বালানি সংকট কীভাবে সামলাচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার কারণে বিভিন্ন...