মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ারের মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রল নিতে পারবে। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় রাইড শেয়ারকারী মোটরসাইকেল চালককে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে। মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সঙ্গে যাচাই করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল কেনা-বিক্রির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। দেশে জ্বালানি তেলের মুল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করে দেয়।
এতে বলা হয়, দেশে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিদেশ থেকে নিয়মিত তেলের চালান আসছে। এ ছাড়া প্রধান স্থাপনা থেকে সারা দেশের ডিপোগুলোতে নিয়মিত রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে তেল পাঠানো হচ্ছে।
এর আগে গত শুক্রবার জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় বিপিসি। সেদিন জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকার ১০ লিটারের বেশি তেল কিনতে পারবে না।
স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।