বৃষ্টিতে লম্বা সময় খেলা বন্ধ থাকার পর ডিএলএস মেথডে পাওয়া গিয়েছিল একদম নাগালে থাকা লক্ষ্য। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৭০ বলে দরকার ছিল কেবল ৭৪ রান। অদ্ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের যুবারা নিতে পারলেন আর কেবল ৫৬ রান, হারিয়ে ফেলল বাকি ৮ উইকেট। ভারতকে নাগালে পেয়েও হারাতে পারল না আজিজুল হাকিম তামিমের দল।
বুলাওয়েতে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ডিএলএস মেথডে ১৮ হারে হেরেছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে বৃষ্টি বাগড়ায় নির্ধারিত ৪৯ ওভারে ২৩৮ রান তুলে ভারত। জবাব দিতে নামা বাংলাদেশ ছিলো বেশ ভালো অবস্থানে। বাংলাদেশের ইনিংসের ১৭.২ ওভারে নামে বৃষ্টি, তখন স্কোর ছিলো ২ উইকেটে ৯০। আবার খেলা শুরু হলে জুনিয়র টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৫ রান। কিন্তু আর ৫৬ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
বৃষ্টি বিরতির পর ৭০ বলে ৭৫ রান তুলতে নেমে কালাম সিদ্দিকিকে নিয়ে এগুচ্ছিলেন আজিজুল। ধুঁকতে থাকা কালাম বিহান মালহোত্রার অফ স্পিনে তুলে দেন সহজ ক্যাচ। ১০৬ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর আশা জাগাচ্ছিলেন অধিনায়ক আজিজুল।
শেখ পারভেজ জীবনকে নিয়ে ১৮ রান যোগ করেন, জীবনের বিদায়ও মালহোত্রার বলে। জীবন ফেরার খানিক পর ফুলটস বলে বাজে শটে বিদায় নেন ফিফটি করা আজিজুল। এরপর একের পর এক উইকেটের পতন চলতে থাকে। রিজান হাসান একদিকে টিকে ছিলেন, তার ৯ বলে ১৫ রানের ইনিংস থামতে বাংলাদেশের হারও নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ ওভারে ১৯ রান নেয়ার অসম্ভব হিসাব মেলাতে পারেননি টেল এন্ডাররা।
এর আগে টস জিতে দারুণ শুরু করেছিলো বাংলাদেশ। পেস বান্ধব উইকেটে শুরুতেই ভারতকে বিপাকে ফেলেন আল-ফাহাদ। তার জোড়া আঘাতের পর অবশ্য বৈভব সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুন্ডুর ব্যাটে এগোয় ভারতের যুবারা। ফাহাদ পরে ৫ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে আড়াইশর ভেতর আটকে রেখেছিলেন।
ভারতের কিশোর তারকা সূর্যবংশী কঠিন কন্ডিশনেও ছিলেন সাবলীল, ৩০ বলে ফিফটির পর ৬৭ বলে করেন ৭২। তার বিদায়ের পর ভারতের ইনিংস টানেন অভিজ্ঞান। ১১৫ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।