মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
তিনি জানান, নগরবাসীর নিরাপত্তায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।
আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘একুশের প্রথম প্রহর থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত সাধারণ মানুষ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আমি আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’
ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশি কূটনীতিকরা মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি ততক্ষণ সবাইকে শৃঙ্খলার সঙ্গে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেছেন।
‘শহীদ মিনারের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং-শহীদ মিনার রুট অনুসরণ করার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হলো। এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রমনা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্বর অথবা চানখাঁর পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে,’ বলেন ডিএমপি কমিশনার।
শহীদ মিনারে কোনো ধরনের ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য না আনার অনুরোধ জানিয়ে নগরবাসীর উদ্দেশে সাজ্জাত আলী বলেন, ‘নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রবেশ পথে কিছু ডাইভার্সন চালু থাকবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক-ছাত্র, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।