দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে চান নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পেছনের দিকে তাকাতে চাই না, সামনের দিকে এগোতে চাই। ডিজিটাল লিটারেসি ও ইংরেজি শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কাজ করবেন তিনি।
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ রোববার সচিবালয়ে প্রথম দিন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে আছি। ন্যানো টেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রোবোটিকস আমাদের ব্যবহার করতে হবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে।’
কারিকুলাম পরিবর্তন বা নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনেই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। আমাকে বসতে দিন, পরিকল্পনা সাজাতে দিন। আমি এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কিছুদিন পর আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াব, তখন সব প্রশ্নের উত্তর দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রিয়ার ভিউ মিররে তাকিয়ে পেছনের দিকে গাড়ি চালাতে চাই না, রিভার্স গিয়ারেও যেতে চাই না। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
শিক্ষা খাতে দুর্নীতির অভিযোগ ও চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি দায়িত্বে ছিলাম, তখন কোনো দুর্নীতি হয়নি। অন্যরা কী করেছে, তার জবাব আমি দেব না। কিন্তু আমরা এসেছি, দুর্নীতি হবে না—এটাই আপনারা ধরে নিতে পারেন। দ্যাটস ফাইনাল।’
বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আপনারা জানেন, আমিও জানি। একটু অপেক্ষা করুন এবং দেখুন।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অগ্রাধিকারভিত্তিতে কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ডিজিটাল ও ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে কাজ করবে তার মন্ত্রণালয়।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।