ভারতের বিপক্ষে আরেকটি বড় হারের পর তুমুল সমালোচনায় পড়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। সমালোচনার ঝাঁজটা বেশি গিয়ে পড়ছে দলটি সিনিয়র ক্রিকেটারদের দিকে। সাবেক দুই অধিনায়ক বাবর আজম, শাহীন আফ্রিদি ও শাদাব খানদের উপর চটেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ। তার মতে এই তারকাদের সময় ফুরিয়ে গেছে, কাজেই নতুনদের সুযোগ দিতে হবে।
বৈশ্বিক আসরে এমনিতেই ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের পরিসংখ্যান খুব বিবর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের লড়াই এত একপেশে যে মাঠের বাইরের উত্তাপের সঙ্গে যার মিল নেই। রোববার কলম্বতে আরেকটি একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারায় ভারত।
আগে ব্যাট করে ভারতের করা ১৭৫ রানের জবাবে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। এই ম্যাচে পাকিস্তানের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সই ছিলো নাজুক। তবে ইউসুফ আলাদা করেছেন তিনজনকে।
এই ম্যাচে ২ ওভার বল করার সুযোগ পেয়ে বাঁহাতি পেসার শাহীন ১ উইকেট নিলেও দিয়ে দেন ৩১ রান। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও ৪২ রান দিয়েছিলেন তিনি। সেরা সময় হারিয়ে ফেলা শাহীন আর ব্যাটারদের কাছে বিপদজনক নয়।
রান তাড়ায় চারে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন বাবর। ৭ বলে ৫ রান করে আকসার প্যাটেলের বলে বোল্ড তিনি। বাবরের টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্স বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ। সাবেক এই অধিনায়ক বাদ পড়েছিলেন, ফিরে এসেও তেমন বড় কিছু করতে পারেনি।
শাদাব মিডল অর্ডারে নেমে ১৪ রান করেন। বল হাতে এক ওভার হাত ঘুরিয়ে দেন ১৭। ইউসুফ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনজনকেই বিদায় নিতে বলেন, ‘শাহীন, বাবর এবং শাদাবদের সময় ফুরিয়ে গেছে; পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে এখন নতুন পারফর্মার দরকার, দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফাঁপা জয় নয়।’
আরেক সাবেক ক্রিকেটার আহমেদ শাহজাদও সমানভাবে এই পরাজয়কে ‘করুণ ক্রিকেট’ বলে অভিহিত করে আক্ষেপ করেছেন, ‘সেই একই পুরনো মুখ, একই পুরনো ফলাফল। দয়া করে জাতিকে আর বোকা বানাবেন না’। তিনি ফখর জামান, খাজা নাফে এবং সালমান মির্জার মতো তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে জোর দিয়ে বলেন যে, ইতিবাচক পরিবর্তন এখনও সম্ভব।