২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ পেতে পারে শ্রীলঙ্কা। তবে এর জন্য লঙ্কানদের শেষ চারে ওঠার পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে প্রতিপক্ষ এবং অন্য দলগুলোর অবস্থানের ওপর।
মূলত ভারত ছাড়া অন্য যেকোনো দলের সঙ্গে মোকাবিলা করলে এবং পাকিস্তান সেমিফাইনালে না পৌঁছালে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পাবে শ্রীলঙ্কা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মূল সূচি ও টুর্নামেন্টের শর্তাবলীতে এমন একটি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে।
সুপার এইটের লাইন-আপ চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পাঠানো আইসিসির একটি বার্তা থেকে এই তথ্য জানা গেছে। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইএসপিএনক্রিকইনফো’র প্রতিবেদনে সেই বার্তার বরাত দিয়ে সেমিফাইনালের লজিস্টিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে:
আইসিসি আরও স্পষ্ট করেছে যে, যদি পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কা কোনো দলই সেমিফাইনালে উঠতে না পারে, তবে প্রথম সেমিফাইনাল কলকাতায় এবং দ্বিতীয়টি মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তাদের ম্যাচটি হবে মুম্বাইতে—তবে প্রতিপক্ষ যদি পাকিস্তান হয়, সেক্ষেত্রে ভারতকে কলম্বোতে গিয়ে খেলতে হবে।
ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কা—এই তিন দলের কেউই যদি সেমিফাইনালে না পৌঁছায়, তবে সুপার এইটের গ্রুপ-১ এর শীর্ষ দল কলকাতায় গ্রুপ-২ এর দ্বিতীয় দলের মুখোমুখি হবে। আর গ্রুপ-২ এর শীর্ষ দল মুম্বাইতে লড়বে গ্রুপ-১ এর রানার্সআপ দলের সঙ্গে।
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান উভয় দলই সুপার এইটের গ্রুপ-২ এ থাকায় তাদের মধ্যে সেমিফাইনাল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
গত নভেম্বরে ঘোষিত সূচির তুলনায় বর্তমান এই সিদ্ধান্তকে একটি বড় পরিবর্তন বা স্পষ্টীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তখন কেবল পাকিস্তানের সেমিফাইনাল ও ফাইনাল শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা উল্লেখ ছিল, কিন্তু স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা নকআউটে পৌঁছালে কী হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। নতুন এই নির্দেশনায় লঙ্কান দর্শকদের জন্য নিজেদের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার সম্ভাবনা তৈরি হলো।