ভেনেজুয়েলার তেল ভারতের কাছে বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর।
আজ শুক্রবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানের ফাঁকে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সার্জিও গর বলেন, আমাদের জ্বালানি বিভাগ ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলছে। আমরা আশা করছি শিগগির এ বিষয়ে ইতিবাচক খবর পাব।
অপরিশোধিত তেল আমদানির ক্ষেত্রে ভারত বর্তমান উৎসগুলোর বাইরেও অন্য ক্ষেত্রগুলো বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।
বলেন, ‘আমরা দেখেছি ভারত তাদের তেলের উৎসে পরিবর্তন আনছে। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে তারা।’
সার্জিও গর আরও বলেন, ‘শুধু ভারত নয়, যুক্তরাষ্ট্র চায় আর কেউ যাতে রাশিয়ার তেল না কিনে।’
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ও ব্যবহারকারী দেশ ভারত।
যুক্তরাষ্ট্র শর্ত দিয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমাতে হলে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরতা থেকে সরে আসতে হবে দিল্লিকে।
চলতি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির আওতায় ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করতে রাজি হয়েছেন।
রাশিয়ার তেল কিনবে না—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর ভারতের ওপর থেকে শাস্তিমূলক শুল্কারোপও প্রত্যাহার করেছেন ট্রাম্প।
এ বিষয়ে সার্জিও গর বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সই হওয়ার কথা। কিছু ছোটখাটো বিষয়ে পরিবর্তন বাকি আছে।’
ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন এই বাণিজ্য চুক্তিটি এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত চলতি মাসেই শুল্ক কমানোর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দেবে।’
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়াম এবং বেসরকারি সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও এইচপিসিএল মিত্তাল এনার্জি ইতোমধ্যে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কেনার অর্ডার দিয়েছে।