ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দেশটির বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
এরপরপরই এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
আইআরজিসি বলেছে, ‘আমরা এই উচ্চপদস্থ শহীদের হত্যাকারী শয়তান ও সন্ত্রাসীদের সতর্ক করছি যে, বাসিজ কখনো শহীদ নেতা, শহীদ কমান্ডার এবং শহীদ জনগণের রক্তের বদলা নেওয়া থেকে বিরত হবে না।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই হত্যাকাণ্ড বরং বীর ইরানি জাতি এবং সমস্ত বাসিজ যোদ্ধাদের প্রতিরোধের পথ অব্যাহত রাখার দৃঢ় ইচ্ছাকে দ্বিগুণ করবে।’
এর আগে, আইআরজিসির বিবৃতির বরাত দিয়ে আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর খবর জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সোলাইমানি আমেরিকান-জায়নিস্ট শত্রুদের হামলায় নিহত হয়েছেন।
আজই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ দাবি করেন, পৃথক হামলায় ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি ও বাজিস কমান্ডার সোলাইমানিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
আল জাজিরা বলছে, আইআরজিসির বিবৃতিতে সোলাইমানির নিহতের কথা জানানো হলেও আলী লারিজানির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
আল জাজিরার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি প্রথম সোলায়মানি হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্মিত, তাই যেকোনো ব্যক্তির মৃত্যু—এমনকি উচ্চপদস্থ নেতা হলেও ‘সিস্টেমকে সত্যিই নাড়াতে পারবে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, অতীতে সর্বোচ্চ নেতা নিহত হলেও তা সিস্টেমকে দুর্বল করতে পারেনি, যা ইরানের সরকারের সাংগঠনিক স্থায়িত্বকে প্রমাণ করে।