পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, খালের মধ্যে যে পরিমাণ বর্জ্য পড়ে আছে বা দখল হয়ে আছে, এগুলো যদি আমরা কোনোভাবে সরিয়ে নিতে না পারি, তাহলে খাল খননের সুবিধা পাব না।
তিনি আরও বলেন, এজন্য একদিকে খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, পাশাপাশি দখল ও বর্জ্য অপসারণ করা হবে।
আজ শুক্রবার সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী বাজারে রহমতখালী খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খনন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু করেন। পাশাপাশি সারা দেশে আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। লক্ষ্মীপুরের তিনটা খাল জকসিন, মান্দারি, আমিনবাজার খাল পরিদর্শন করেছি। এগুলোর সঙ্গে অনেকগুলো সংযোগ খাল রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা অবৈধ দখলদার ও বিভিন্ন আবর্জনা-বর্জ্য এখানে ফেলেন, তাদের আরও বেশি সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। সবার আন্তরিকতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছি, সম্পূর্ণভাবে সফল হবে বলে আমি মনে করছি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। সেসময় আমরা সেচ সুবিধা পেয়েছি, উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে, মাছের চাষ বেড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এলাকাটাকে স্বনির্ভর এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি।
‘বাংলাদেশটাকে স্বনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার যে কর্মসূচি, সে কর্মসূচি আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে নেবো। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য’, যোগ করেন তিনি।