গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য জে-হোপের জন্মদিন ছিল। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তিনি জন্ম নেন।
ব্যতিক্রমধর্মী কায়দায় নিজের জন্মদিন উদযাপন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার এই তারকা গায়ক। দুর্দশাগ্রস্ত শিশুদের কল্যাণে ৩০ কোটি ওন দান করেছেন (২ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার) এই শিল্পী।
গতকাল বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম কোরিয়া হেরাল্ড এই তথ্য জানায়।
সিউলে অবস্থিত আসান হাসপাতালের উন্নয়ন কাজে ২০ কোটি ওন (১ লাখ ৩৮ হাজার ডলার) দান করেছেন জে-হোপ। মূলত শিশুদের চিকিৎসা সেবা উন্নয়নে এই তহবিল খরচ করা হবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল জানায়, এই তহবিল শিশুদের জন্য চিকিৎসা সেবা আরও উন্নত করার কাজে ব্যবহার হবে। পাশাপাশি, গুরুতর অসুস্থ শিশুদের নিজ নিজ বাড়িতে যেয়ে চিকিৎসা ও মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া চালু করা হবে।
হাসপাতালের মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় জে-হোপ বলেন, ‘অসুস্থ শিশুদের জন্যেও একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। তিনি আশা করেন, তারা ব্যথা-বেদনা ও অসুস্থতা কাটিয়ে উঠে নিজেদের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারবে।

২০২২ সাল থেকে আসান মেডিকেল সেন্টারের প্রতি সমর্থন জুগিয়ে আসছেন জে-হোপ। সেবার তিনি ১০ কোটি ওন দান করেছিলেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত, ওই হাসপাতালে তিনি ৫০ কোটি ওন দান করেছেন।
একইদিন, চাইল্ডফান্ড কোরিয়া নামের অপর একটি অলাভজনক শিশু কল্যাণ সংস্থাকে আরও ১০ কোটি ওন (৬৯ হাজার ডলার) দেন তিনি। ওই সংস্থার বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্পে সহায়তা করতে এই অর্থ দেন তিনি।
চাইল্ডফান্ড কোরিয়া জে-হোপের নিজের শহর গুওয়াংজুর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কাজে এই অর্থ ব্যবহার করবে। শহরটি সিউল থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।
কুকজে হাই স্কুল ও জেওননাম গার্লস কমার্শিয়াল হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা আর্থিক দুর্দশায় আছেন, তারা এই বৃত্তি পাবেন।
২০১৯ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকা জে-হোপ ওই দুই স্কুলের আর্থিক অনটনে থাকা শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিয়ে আসছেন।