ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উন্নয়ন কাজ, এলেংগায় ফ্লাইওভার নির্মাণে ধীরগতি, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও যমুনা সেতু পারাপারসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে উত্তরের জেলামুখি মানুষের ঈদযাত্রায়। তারপরও নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে আগে থেকেই কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক অপরাধ ও যানজট মুক্ত রাখতে ইতোমধ্যেই তৎপরতা শুরু করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন উত্তরবঙ্গের ১৬টিসহ মোট ২৩টি জেলার ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঈদে এই সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি বেড়ে যায়।
তখন মহাসড়কে, বিশেষ করে যমুনা সেতুর দুইপ্রান্তে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
ইতোমধ্যে মহাসড়ক দিয়ে উত্তরের জেলাগুলোর মানুষ ঘরে ফেরা শুরু করলেও মূলত ১৬ তারিখ থেকে চাপ বাড়তে শুরু করবে এবং ১৭ ও ১৮ তারিখ মূল চাপ দেখা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ বিভাগ।
টানা কয়েকদিন ধরেই এই মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ করছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।
আজ বুধবার তিনি মহাসড়কের রাবনা বাইপাস থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সড়ক ও কালিহাতি লিংক রোডের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন।
এ সময় মহাসড়কের বর্তমান অবস্থা, যানবাহনের চাপ ও ঈদকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য যানজট নিরসনের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে মহাসড়কে পুলিশের টহল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
যানজট যাতে না হয় সেজন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন দুর্বলতা চিহ্নিত করেই প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে সে মোতাবেক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, মহাসড়কে নানা অপরাধী তথা অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টিসহ নানা অপরাধীদের দৌরাত্ম্য থেকে যাত্রীদের নিরাপদ রাখতে সতর্ক আছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে মানুষের নিরাপদ ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।