সুপার এইটের লাইনআপ আগেই ঠিক হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি ছিল কেবলই নিয়মরক্ষার। তবে তাতে কোনো ঢিলেঢালা ভাব দেখালো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অধিনায়ক শেই হোপের ফিফটিতে পাওয়া চ্যালেঞ্জিং পুঁজি নিয়ে জ্বলে উঠলেন পেসাররা। ম্যাথু ফোর্ড ও শামার জোসেফের তোপে বিধ্বস্ত হয়ে গেল ইতালি।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ‘সি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচটি হলো একপেশে। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪২ রানে হারালো নবাগত ইতালিকে। এই নিয়ে গ্রুপ পর্বের চার ম্যাচের সবগুলোই জিতল ক্যারিবিয়ানরা।
আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৬ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৫ রান করেন হোপ। রান তাড়ায় দুই ওভার আগেই ১২৩ রানে থামে ইতালি। শামার জোসেফ ৩০ রানে নেন ৪ উইকেট। ফোর্ড ১৯ রানে পান ৩ উইকেট।
ইনিংসের মাঝপথে মনে হচ্ছিল লক্ষ্যটা ইতালির নাগালেই আছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বড় রান তাড়ায় যেভাবে খেলেছিল দলটি, তাতে আভাস ছিল রোমাঞ্চের। তবে ক্যারিবিয়ানদের আঁটসাঁট ও বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি তারা।
তিন ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায় ইতালি, পাওয়ার প্লেতে পড়ে ৩ উইকেট। যার দুটি নেন ফোর্ড, অন্যটি আকিল হোসেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ ইনিংস খেলা বেঞ্জামিন মানেত্তি এদিনও থিতু হয়েছিলেন, তবে তিনি ফেরেন গুডাকেশ মোটির বলে। এরপর জোসেফ লোয়ার মিডল অর্ডারে হানা দিয়ে একের পর এক উইকেট তুলে নেন।
সকালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৩১ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে অধিনায়ক হোপ তাল হারাতে দেননি, একাই রান তুলতে থাকেন। বাকিদের আসা-যাওয়ার মাঝে তিনি ছিলেন অবিচল। রোস্টন চেজ ও শেরফাইন রাদারফোর্ড দুজনেই ২৪ রান করে তাকে সঙ্গ দেন।