হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, কিছু দেশ ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাচ্ছে।
আজ শুক্রবার বার্তাসংস্থা এএফপি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
মার্কিন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত জটিল এলাকা। বড় পরিসরে কোনো জাহাজ চলাচল সেখানে নিরাপদে নিশ্চিত করার আগে আমাদের বর্তমান সামরিক লক্ষ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।’
এ ব্যাপারে এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট বলেছিলেন, বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজকে নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয়, কারণ এখন ইরানে হামলা চালাতে ব্যস্ত তাদের বাহিনী।’
তবে এ মাসের শেষ নাগাদ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ইরান প্রণালিটি অবরুদ্ধ করতে পারে—এমন পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি ছিল কি না।
জবাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানান হেগসেথ। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি তিনি।
অন্যদিকে, কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত রাভানচি।
এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাখত রাভানচি বলেন, ‘কিছু দেশ ইতোমধ্যে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং আমরা তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে অংশ নিয়েছে, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ না পায় সেটাই দেখছি আমরা।’
এ সময় তিনি হরমুজ প্রণালিতে ইরান নৌ-মাইন পেতে রেখেছে—এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘একেবারেই না। এটি সত্য নয়।’