হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া ও প্রশিক্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াসমিন খাতুন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও মহড়ার কিছু ভিডিও গত তিন সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শহরের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ৫টি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ গতকাল বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ধারণ করা একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়ালে স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।
এর আগে, ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি শহরের রাজনগর, সরকারি মহিলা কলেজ এলাকা ও টাউন হল রোড এলাকায় একই ধরনের ভিডিও ধারণ করা হয়।
১৩ মার্চ জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আরেকটি ঘটনার খবর পাওয়া যায়। ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অস্ত্র দেখিয়ে এক যুবক ও এক তরুণীকে হেনস্তা করা হয়।
ফুটেজগুলোতে দেখা যায়, ১০ থেকে ২০ জনের কিশোর গ্যাংয়ের একটি দল রামদা, ছুরি ও অন্যান্য ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে এবং অন্যরা সেই দৃশ্য ভিডিও করছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) হবিগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি আইনজীবী ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে ভীতির সৃষ্টি করে এবং এটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের লঙ্ঘন।’
যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সুপার ইয়াসমিন খাতুন বলেন, ‘ভিডিওগুলোর ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ৭ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফুটেজগুলো আসল কি না, তা নিশ্চিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।’