স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা পর্যালোচনা এবং জনমত যাচাইয়ের পর ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
আলোচনাকালে হাসনাত আবদুল্লাহ মেধাভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়ার বদলে লটারি প্রথা চালুর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি যুক্তি দেন, এই পরিবর্তনের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান কমে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বাধা তৈরি হয়েছে।
এমপি জানতে চান, মেধাভিত্তিক ভর্তি ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে লটারি প্রথাকে যৌক্তিক পদ্ধতি বলে মনে করেন না। তিনি জানান, ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরগুলোতে ভর্তি জটিলতা নিরসনে আগের সরকার এই পদ্ধতি চালু করেছিল। শহরের স্কুলগুলোতে আসন নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতার ফলে সৃষ্ট সমস্যা কমাতেই লটারি ব্যবস্থার উদ্ভব।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানে ভর্তির জন্য প্রতিযোগিতা অনেক কম। ফলে বড় শহরগুলোর বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তিসংক্রান্ত সমস্যা সাধারণত ততটা প্রকট নয়।