রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজের এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে শাখা ছাত্রদলের এক নেতার ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসটিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্ররাজনীতি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার কলেজের অধ্যক্ষ এস এম রেজাউল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল রোববার বিকেলে কলেজের গভর্নিং বডির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় গভর্নিং বডির সদস্যরা ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, শিক্ষককে মারধর ও অপমানের ঘটনা নিন্দনীয়। এ ঘটনায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ খালিদ আলম। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ এস এম রেজাউল ইসলাম, গভর্নিং বডির সদস্য ডা. মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ইতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম ও মো. গোলাম মোস্তফা মামুন এবং শিক্ষক প্রতিনিধি মোহাম্মদ মনজুর মুরশিদ।
গত ৪ মার্চ শহরের কাদিরগঞ্জ এলাকায় শাহ মখদুম কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক আসাদুজ্জামান জুয়েলের কাছে চাঁদা দাবির পর তাকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ৬ মার্চ বোয়ালিয়া থানায় অভিযোগ করা হলে ওই রাতেই আবদুল্লাহ আল মারুফ ও আরেক ছাত্রনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।