সেনাবাহিনী পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে দুই দেশের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়, যৌথ মহড়া এবং উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের আর্মি স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ডের কনফারেন্স কক্ষে দুই দিনব্যাপী নবম বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি) ২০২৬ শেষে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে এ সমঝোতা হয়।
আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআর জানায়, এই বৈঠকটি ২০২৫ সালের ৮–১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত নবম এলএফটির ধারাবাহিকতায় আয়োজিত হয়।
আলোচনায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ বদরুল হকের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউএস আর্মি প্যাসিফিক কমান্ডের নিরাপত্তা সহযোগিতা বিভাগের মেজর মাইকেল জ্যাকব ওস্টার।
আলোচনায় দুই পক্ষ সামরিক সহযোগিতা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত সহযোগিতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। সামরিক সক্ষমতা জোরদারে একাধিক যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন এবং উদ্ভাবনী প্রশিক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রতি জোর দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এবং প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রস্তুতি গ্রহণে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষ একমত হয়।
এছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নানা ধরনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রস্তুতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন আইএসপিআর।
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল অষ্টম বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র ল্যান্ড ফোর্সেস টকস।