যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন কোনো নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আজ রোববার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ইরানের নতুন নেতাকে আমাদের অনুমোদন নিতে হবে। যদি সে আমাদের অনুমোদন না পায়, তাহলে সে বেশি দিন টিকবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা নিশ্চিত হতে চাই যে প্রতি ১০ বছর পরপর আবার একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। বিশেষ করে যখন আমার মতো কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না, যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।’
ট্রাম্প যোগ করেন, আমি চাই না পাঁচ বছর পর আবার একই কাজ করতে হোক। কিংবা আরও খারাপ, তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হোক।
ইরানে পুরনো শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন কাউকে অনুমোদন দেওয়া হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ভালো নেতা বেছে নিলে আমি তা বিবেচনা করব। এমন অনেক মানুষ আছে যারা যোগ্য হতে পারে।’
ইরানকে তিনি এখন ‘কাগুজে বাঘ’ মনে করছেন। বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে কিন্তু তারা কাগুজে বাঘ ছিল না। আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল পুরো মধ্যপ্রাচ্য দখল করা।’
সাক্ষাৎকারে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দখলে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘সবকিছুই আলোচনার টেবিলে আছে। সবকিছু।’
যুদ্ধ কতদিন চলতে পারে—এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে চাননি।
তিনি বলেন, আমি কখনো ভবিষ্যদ্বাণী করি না। তবে আমরা সময় ও শক্তি—দুই দিক থেকেই পরিকল্পনার চেয়ে এগিয়ে আছি।
এর আগে তিনি বলেছিলেন, এই যুদ্ধ চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।
যুদ্ধ নিয়ে তার কিছু সমর্থকের উদ্বেগ ও সমালোচনার কথা সামনে এলেও ট্রাম্প তা অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ মানেই আমেরিকাকে রক্ষা করা।