ন্যাটোকে ভেঙে ফেলার দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প?

Date:

প্রয়োজনের সময় পাশে না পাওয়া বন্ধুর নাম যেন ‘ন্যাটো’। এমনটিই বুঝিয়ে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মহাক্ষমতাধর রাষ্ট্রপতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের হাত থেকে ইউরোপের মিত্র দেশগুলোকে রক্ষার জন্য এই সামরিক জোটের পেছনে ওয়াশিংটন যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢেলেছে সে কথাও স্মরণ করিয়ে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ১৭ মার্চ নিজের মালিকানাধীন সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক নাতিদীর্ঘ পোস্টে মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ওপর। এর আগেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোটকে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘খুব খারাপ’ হবে। অর্থাৎ, ন্যাটো যদি ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি রক্ষায় এগিয়ে না আসে তাহলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘অন্ধকার’।

গত ১৬ মার্চ মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্রদের নিয়ে গঠিত উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থাকে (ন্যাটো) পরিষ্কার ভাষায় সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘হয় হরমুজ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াও, তা না হলে “খুব খারাপ” ভবিষ্যতের অপেক্ষা থাকতে হবে।’

প্রতিবেদন অনুসারে—গত ১৫ মার্চ দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ন্যাটোকে এমন চরম বার্তা দেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি থেকে যারা সুবিধা পাচ্ছেন, তারা এর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসবেন। যাতে সেখানে খারাপ কিছু না ঘটে।’

এরপর যেন তিনি খুলে দিলেন ‘প্যানডোরার বাক্স’। হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, ‘যদি কেউ সাড়া না দেন, অথবা নেতিবাচক জবাব দেন, (তাহলে) আমি মনে করি, এটা ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।’

মোটা দাগে ট্রাম্পের মূল বার্তা এটাই। এসব কথা তিনি সে রাতে ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসার সময় এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের কাছে আবারও তুলে ধরেছিলেন। সেসময় তিনি জোটবদ্ধ দেশগুলোকে নিয়ে এক সঙ্গে হরমুজে সামরিক অভিযান চালানোর ব্যাপারে আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও তুলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের স্মরণ করিয়ে দেন: ‘ইউক্রেনে তাদেরকে সহায়তা করেছি।’ আরও বলেন, ‘আমরা সবসময় ন্যাটোর সঙ্গেই আছি’।

তবে তার মূল চাওয়া—হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে ন্যাটো মিত্ররা এগিয়ে আসবে। মধ্যপ্রাচ্যের সেই জ্বালানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ন্যাটোর সদস্যরা বেশি নির্ভরশীল। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোও মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির অপেক্ষায় থাকে।

ট্রাম্প মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর তুলনায় ইরান যেহেতু সামরিক দিক থেকে কম ক্ষমতাসম্পন্ন তাই সেই দেশের হামলা থেকে হরমুজকে মুক্ত রাখতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।

তবে কোন কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায় তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ট্রাম্প।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প একদিকে নিজেকে ইরান যুদ্ধে বিজয়ী ঘোষণা করছেন; অন্যদিকে, মিত্র ন্যাটোর কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসতে।

শুধু তাই নয়—একদিকে তিনি বলছেন যে মার্কিন ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে; অন্যদিকে, তিনি হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে ন্যাটো সদস্যদেরকে এগিয়ে আসার জন্য চাপ দিচ্ছেন।

ট্রাম্পকে যে বক্তব্যে একবার বলতে শোনা যাচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি এবং তাদের অন্য কোনো দেশের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই; সেই বক্তব্যেই তিনি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যখন প্রয়োজন তখন মিত্রদের তথা ন্যাটোর সদস্যদের পাশে পাওয়া যাচ্ছে না।

মার্কিন রাষ্ট্রপতির দাবি, ন্যাটোর পেছনে বিগত বছরগুলোয় বেশ কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে। এখন প্রয়োজনের সময় তারা পাশে নেই।

গত ১৬ মার্চ ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টুয়েন্টিফোর জানায়—যতদূর জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশকে ইরান যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়নি। ট্রাম্প ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেই শুধু এমন আহ্বান জানিয়েছেন।

এরপর ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালির শীর্ষ নেতারা ইরান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ার কথা প্রথমে প্রকাশ্যে বললেও গতকাল ১৯ মার্চ ‘হরমুজ মুক্ত করার কাজে অংশ নেওয়ার’ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।

গত ১৭ মার্চ সমাজমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র জেনেছে যে অধিকাংশ ন্যাটো মিত্র মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্ত হতে আগ্রহী নয়। কিন্তু, বাস্তবতা হলো প্রায় সব দেশ আমাদের কাজে জোরালো সমর্থন দিয়েছিল।’

তবে তিনি মিত্রদের এমন আচরণে ‘অবাক হননি’ জানিয়ে আরও বলেন, এসব দেশকে রক্ষার জন্য প্রতি বছর ন্যাটোর পেছনে শত শত বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়।

মার্কিন সেনারা যেহেতু ইরানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুড়িয়ে দিয়েছে তাই ন্যাটো সদস্যদের সহায়তার এখন আর ‘প্রয়োজন’ নেই। সেই প্রত্যাশা এখন তিনি আর করছেনও না।

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাই কারো সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন নেই বলেও জানান দেশটির রাষ্ট্রপতি।

তবে সেদিনই ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, ইরান যুদ্ধে সহযোগিতা না করে ন্যাটো ‘ভুল’ করেছে।

বিবিসি জানায়, ওভাল অফিসে সফররত আইরিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প জেদ করে বলেন যে, ‘আমরা ন্যাটোর কাছ থেকে কোনো সহায়তা চাই না। কিন্তু, তাদের উচিত ছিল সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার।’

গত ১৮ মার্চ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন বলেন, ‘আমি মনে করি, ট্রাম্পের শাসনামলে ন্যাটো সবসময়ই ঝুঁকিতে ছিল। ন্যাটোর নেতাদের প্রতি ট্রাম্পের আচরণে তারা বেশ অসন্তুষ্ট।’

তবে ট্রাম্প ইতোমধ্যে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্কের যে ক্ষতি করে ফেলেছেন তা যে আর বেড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, বলে মনে করেন বোল্টন।

তার মতে, ইউরোপের নেতারা বলছেন যে ইরান যুদ্ধ ইউরোপের যুদ্ধ নয়, তাহলে ট্রাম্পের বলার সুযোগ হবে—ইরান যদি ইউরোপের যুদ্ধ না হয়, ইউক্রেন যুদ্ধও যুক্তরাষ্ট্রের নয়।

ট্রাম্পের শাসনামলে যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। ইউরোপ থেকে মার্কিন সৈন্যদের সরিয়ে আনা হতে পারে, বলেও জানান তিনি।

বোল্টনের ভাষ্য: ‘সোভিয়েত আমলে শীতল যুদ্ধ চলাকালে ইউরোপ ও আমেরিকার সম্পর্কে ফাটল ধরানোর মধ্য দিয়ে ন্যাটো ভাঙার অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা ব্যর্থ হয়েছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে, তারা যেকাজে ব্যর্থ হয়েছে এখন যেন আমরা সেই কাজে সফল না হই।’

দ্য টাইমসের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়—ইউরোপীয় জোটের নেতারা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি ঐক্যবদ্ধ। তারা সবাই মিলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। এটি ট্রাম্পকে দুর্বল করে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে তাদের এ ধরনের মনোভাবের কারণে উল্টো ফল ভাগ করতে হতে পারে কি?

এমন প্রশ্নের জবাবে বোল্টন বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা সম্ভব।’

আরও বলেন, ‘তবে এটা আগুন নিয়ে খেলার মতো। ট্রাম্পকে আপনি কতটা নতজানু করতে পারলেন বিষয়টা তা নয়। তাদের উচিত বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।’

মার্কিন বাহিনী যদি হরমুজকে ইরানের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে পারে তাহলে ন্যাটোর ওপর হয়ত জোর খাটানো হবে না, বলে মনে করেন ট্রাম্পের এই সাবেক উপদেষ্টা।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহ পার করছে।

বোল্টন আরও বলেন, ‘ন্যাটো সদস্যদের উচিত হবে না যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যাওয়া। তাদের উচিত হরমুজে সেনা না পাঠানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা।’

‘ইউরোপের নেতারাও যদি ট্রাম্পর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যান তাহলে খুব বড় ভুল হয়ে যাবে। বড় ঝুঁকি তৈরি করবে,’ বলে আশঙ্কা করেন জন বোল্টন।

গত ১৭ মার্চ নিউজ উইক এর প্রতিবেদনে জানানো হয়—ট্রাম্প বলেছেন, ‘তারা (ন্যাটো) যেহেতু আমাদের সহায়তা করেনি, তাই তাদের বিষয়ে ভেবে দেখার অবকাশ আছে। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমার কংগ্রেসের (অনুমতির) প্রয়োজন হবে না।’

ঠিক এই মুহূর্তে কোনো কিছু ভেবে রাখা হয়নি বলেও জানান ট্রাম্প। অর্থাৎ, ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কোনদিকে যাবে সে বিষয়ে ট্রাম্প এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।

এ দিকে, গত ১৮ মার্চ ভার্জিনিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ন্যাটোপ্রধান মার্ক রুত্তে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকি নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি না।

তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ন্যাটোর সব সদস্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। সবাই হরমুজ খোলা রাখার বিষয়ে একমত।’

ন্যাটোর সদস্যরা এর সমাধান বের করতে যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিবেদনটিতে ট্রাম্পকে দীর্ঘদিনের ন্যাটোবিরোধী রাজনীতিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোয় বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন তা দূর করার জন্য সেখানে যাওয়া ন্যাটোর উচিত হবে না।

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ন্যাটোর সদস্যরা যোগ দিলে তা দিনশেষে তাদের জন্য ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’ হবে বলে মত অনেকের।

গত ১৫ মার্চ নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোরে প্রতিবেশী নর্ডিক দেশ ও কানাডার সরকার প্রধানদের এক সম্মেলনে মন্তব্য করেন যে ‘ওটা আমাদের যুদ্ধ নয়’।

তিনি আরও বলেন, নর্ডিক দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু করেনি। কিন্তু, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো সেই সংঘাতের প্রভাব তাদের ওপরও পড়ছে।

সেই অনুষ্ঠানে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মিত্তে ফ্রেদারিকসেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সেই বক্তব্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা আর নেই। তা হয়ত আর কখনো ফিরে আসবে না। আমাদের নতুন কিছু গড়ে তুলতে হবে।’

সেই অনুষ্ঠানে কার্নি উপস্থিত ছিলেন।

গত ২০ জানুয়ারি কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি দাভোসে যে ঐতিহাসিক বক্তব্য দিয়েছিলেন তাই যেন এখন উচ্চারিত হচ্ছে বিশ্ব নেতাদের মুখেও।

আর এমন ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থা’য় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩২ সদস্যের ন্যাটো সামরিক জোটের আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না সেই সিদ্ধান্ত যেন ঝুলে থাকছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের হাতে।

তবে এই জোটের ওপর তিনি যে ক্ষিপ্ত তা হোয়াইট হাউজে ঢোকার আগে ও পরে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধের বাস্তবতায় সেই ক্ষোভ যেন আরও প্রকট হয়েছে।

এখন ট্রাম্প ন্যাটো জোট ভাঙার দ্বারপ্রান্তে কিনা তাই দেখার বিষয়।

Popular

More like this
Related

যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি করবে না সুইজারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ

নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের অস্ত্র রপ্তানি স্থগিতের...

পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামীকাল

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর...

বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকস: মৌসুমের সেরা টাইমিং করেও ইমরানুরের বিদায়

পোল্যান্ডে চলমান বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে এবারের মৌসুমে নিজের...

যমুনা সেতু পার হলো ১ লাখ ৮০ হাজার গাড়ি, টোল আদায় ১৩ কোটি টাকা

গত চার দিনের ঈদযাত্রায় যমুনা সেতু দিয়ে প্রায় ১...